রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হয়নি, ভোটার তালিকা চেয়েছে নির্বাচন কমিশন

0
21
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হয়নি, ভোটার তালিকা চেয়েছে নির্বাচন কমিশন

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি। এই নির্বাচন আয়োজনের জন্য ভোটার তালিকা তৈরি করতে সংসদ সচিবালয়কে অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ বা শিডিউল বা অন্য কোনো কিছু ঠিক হয়নি। আমরা ভোটার তালিকার জন্য পার্লামেন্ট সেক্রেটারিয়েটের কাছে অনুরোধ করেছি। তারা ভোটার তালিকাটা দেবেন।

তিনি বলেন, ভোটার তালিকা পাওয়ার পরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ এবং বা শিডিউল এই জিনিসগুলো নিয়ে কাজ হবে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে বিগত বছরের দলের আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন জমা দিতে হয়।

এই প্রতিবেদন জমা দেওয়া প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, দেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৬০টি। এর মধ্যে একটির নিবন্ধন স্থগিত আছে। বাকি ৫৯ দলের মধ্যে ৩৮টি রাজনৈতিক দল বাৎসরিক অডিট রিপোর্ট জমা দিয়েছে।

১৩টি রাজনৈতিক দল অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর জন্য ইসির কাছে আবেদন করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, আটটি দল সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করেননি। এর মানে তারা নন রেসপনসিভ।

আখতার আহমেদ বলেন, যারা সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে, তাদের জন্য কমিশন সময় বাড়াবে। অতীতেও এই সময় বাড়ানো হয়েছে। যারা প্রতিবেদন জমা দেয়নি, তারা আইনের বরখেলাপ করেছে, এটা তাদের জানিয়ে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমরা ভোটার তালিকার জন্য পার্লামেন্ট সেক্রেটারিয়েটে ওনাদের কাছে অনুরোধ করেছি, যেন ভোটার তালিকাটা ওনারা দেন। ভোটার তালিকা পাওয়ার পরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ এবং শিডিউল এ জিনিসগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।

গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতা দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। সেই পদেই এখন ভোটের প্রস্তুতি চলছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কেবল সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে থাকেন। তাই তাদের তালিকা নিয়ে ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি।

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন নিয়ে ইসি সচিব বলেন, এনআইডি নিয়ে কমিটি করা হয়েছে। কিন্তু কমিটির রিকমেন্ডেশনগুলো এখনো ক্রিস্টালাইজ করা হয়নি। ব্রড ফ্রেম অফ রেফারেন্সে আলোচনাটা করা হয়েছে। কিন্তু এসওপিটা (SOP) করা হয়নি, কী কী জিনিস তারা দেখবে। যাতে কোনো রকমের অসংগতি না থাকে। আমি একটা পুরা ব্রিফিং দেবো সামগ্রিক বিষয় নিয়ে।

তিনি সচিব বলেন, গতকাল এক ভদ্রলোক এসেছেন জন্ম তারিখ সংশোধনের জন্য। উনি যে বয়সটা চাচ্ছেন ২০০৮ (ডিসেম্বর), তাহলে ২০০৮-এর যেই কাঙ্ক্ষিত বয়সটা চাচ্ছেন সেই অনুযায়ী দেখা যায়, উনি সাত বছর চার মাস বয়সে ভোটার হয়েছেন। তাহলে সাত বছর চার মাসের একজনকে ভোটার হতে হবে? এটা না করে দিলে আমরা অপরাধী, তো আমার কিছু বলার নেই।

সব ডকুমেন্টে তথ্যের মিল থাকার বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, পাসপোর্ট হচ্ছে ট্রাভেল ডকুমেন্ট (travel document), এনআইডি হচ্ছে ন্যাশনাল ডকুমেন্ট (national document)। বার্থ অ্যান্ড ডেথ রেজিস্ট্রেশনের (Birth and Death Registration) সার্টিফিকেটের ওপর আমরা নির্ভরশীল, আমাদেরটার ওপর নির্ভরশীল পাসপোর্ট। তো একটা চেইন (chain) আছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here