চলন্ত বাসে নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, চালক-হেলপারসহ তিনজন গ্রেপ্তার

0
1
চলন্ত বাসে নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, চালক-হেলপারসহ তিনজন গ্রেপ্তার

আশুলিয়ায় চলন্ত বাসে এক নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাসের চালক, হেলপার ও চালকের এক বন্ধুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন বাসের হেলপার মো. মুশফিকুর রহমান জনি, চালক মো. ইমরান এবং চালকের বন্ধু মো. সুমন প্রামানিক।

পুলিশ জানায়, শনিবার (২৫ জুলাই) রাত দেড়টার দিকে গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে নবীনগরের উদ্দেশে সাভার পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন ভুক্তভোগী নারী ও তার পরিচিত মো. রুবেল। পথে একে একে অন্য যাত্রীরা বিভিন্ন স্ট্যান্ডে নেমে গেলে বাসে তারা প্রায় একাই ছিলেন।

নবীনগর বাসস্ট্যান্ডের কাছাকাছি পৌঁছালে বাসচালক ইমরান বাস চালানোর দায়িত্ব হেলপার জনির কাছে দিয়ে ভুক্তভোগীর সাথে থাকা রুবেলকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোর করে বাস থেকে নামিয়ে দেন। এরপর চালকও বাস থেকে নেমে যান। সে সময় বাসে ছিলেন ভুক্তভোগী নারী, হেলপার জনি ও সুমন প্রামানিক।

অভিযোগ রয়েছে, এরপর সুমনের সহযোগিতায় হেলপার জনি চলন্ত বাসে ওই নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। বাস থেকে নামানোর পর রুবেল জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানান।

খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা-পুলিশ দ্রুত অভিযান চালায়। বাড়ইপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আরেকটি বাস দিয়ে সড়কে ব্যারিকেড তৈরি করে অভিযুক্ত বাসটি থামানো হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করা হয় এবং জনি ও সুমনকে বাসসহ আটক করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আশুলিয়া থানায় মামলা করেন। পরে রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে বাড়ইপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার অপর আসামি বাসচালক ইমরানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯-এ খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করে। পরে মামলার পর তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরবর্তী অভিযানে বাসচালক ইমরানকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here