বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক এখন ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ধনী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে মাস্কের মোট সম্পদ ৩৪০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা অর্থনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন মাইলফলক।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পেছনে ইলন মাস্কের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। নিজের পকেট থেকে প্রায় ২০ কোটি ডলার ব্যয় করে ট্রাম্পের প্রচারণায় অংশ নেন তিনি। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের বিজয়ই মাস্কের সম্পদ বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে। মাত্র ২০ দিনের ব্যবধানে মাস্কের সম্পত্তি বেড়েছে ৭০ বিলিয়ন ডলার, যা মিয়ানমারের মোট দেশজ উৎপাদনের (GDP) চেয়েও বেশি। ২২ নভেম্বর পর্যন্ত তার সম্পদ ৩৪০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যা পৃথিবীর ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় তাকে শীর্ষ স্থানে রেখেছে।
মাস্কের মালিকানাধীন বিভিন্ন কোম্পানি অবিশ্বাস্য সাফল্য অর্জন করেছে। এই এআই-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের বাজারমূল্য ৫০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যেখানে মাস্কের শেয়ার ৬০%। মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্সের বাজারমূল্য এখন ২১০ বিলিয়ন ডলার, যার ৪২% মাস্কের হাতে এবং গাড়ি উৎপাদন খাতে বিপ্লব ঘটানো টেসলায় মাস্কের শেয়ার ১৩%।
বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় ইলন মাস্ক শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন। ফোর্বসের তথ্যানুযায়ী, দ্বিতীয় স্থানে থাকা ল্যারি এলিসনের সঙ্গে তার সম্পদের পার্থক্য প্রায় ৮০ বিলিয়ন ডলার। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন জেফ বেজোস, চতুর্থ মার্ক জাকারবার্গ আর পঞ্চম স্থানে রয়েছে বার্নার্ড আর্নো অ্যান্ড ফ্যামিলি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মাস্কের নেতৃত্বে তার প্রতিষ্ঠানগুলোর অবিশ্বাস্য অগ্রগতি এবং মার্কিন রাজনীতিতে তার সক্রিয় ভূমিকা তাকে ইতিহাসের শীর্ষ ধনীর অবস্থানে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে।


