ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসু জিএস গোলাম রাব্বানী অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।
শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এসব অভিযোগ ও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।
গোলাম রাব্বানী লেখেন, তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন এবং দলের সুনাম বাড়ানোর চেষ্টা করেছেন। তবে নিজ দলের কাছ থেকে ন্যায়বিচার না পাওয়ার হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, যে দলের জন্য জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় উজাড় করে দিয়েছি, সেই দলের কাছ থেকে চরম অন্যায় আচরণের শিকার হয়েছি।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রাব্বানী বলেন, প্রভাবশালী মহলের ষড়যন্ত্রে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। ফারজানার বিরুদ্ধে ৬৬ কোটি টাকার অডিট আপত্তি এবং উন্নয়নকাজে ২৯ কোটি টাকার কমিশন নেওয়ার মতো অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
নিজেকে দুর্নীতিমুক্ত প্রমাণ করার জন্য চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে রাব্বানী বলেন, ক্ষমতায় থাকার সময়ে তিনি কোনো আর্থিক সুবিধা বা টেন্ডারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে থেকেও তিনি ব্যক্তিগত সম্পদ গড়েননি এবং নিজের বিয়ের অনুষ্ঠানও অর্থাভাবে আয়োজন করতে পারেননি।
গোলাম রাব্বানী সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ খণ্ডানোর এবং ভিসি ফারজানাকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ তদন্তের সুযোগ রয়েছে, এবং আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে প্রস্তুত।


