গত ১৫ বছরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের হাতে ৮৬ জন নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
‘ছাত্র রাজনীতির অন্ধকারের এক যুগ’ শীর্ষক গবেষণা প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, নিহতদের মধ্যে ৫১ জন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিহত হন। এ সময় যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন ৬৯ জন, ধর্ষিত হয়েছেন ১৪ জন নারী, এবং নির্যাতিত হয়েছেন ১০৩২ জন। এছাড়া, সংগঠনটি ৫৩টি চাঁদাবাজি, ৩৯টি টেন্ডারবাজি এবং ৩০টি ছিনতাইয়ের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল। নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে প্রাণ হারিয়েছেন ৪৭ জন।
সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, শিক্ষাঙ্গন নিরাপদ না হলে পুরো দেশটাই অনিরাপদ হয়ে যাবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সারাদেশে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রম অনিরাপদ পরিবেশ তৈরি করেছিল। তাই ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগের পুনরুত্থান ঠেকাতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের উদ্যোগী হতে হবে। শিক্ষাঙ্গন থেকে সন্ত্রাস দূর না হলে রাষ্ট্র মেরামত সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

