আমি গ্রামীণ চরিত্র করতেই বেশি পছন্দ করি। কারণ এতে চ্যালেঞ্জ থাকে। ভারী মেকআপ থাকে না, অথচ চরিত্রের গভীরতাই আমাকে আলোকিত করে।’ অনেকেই জুটি বাঁধার প্রসঙ্গ টানেন, কিন্তু স্পর্শিয়ার ভাবনা একেবারেই ভিন্ন।
‘আমি কাজ করতে এসেছি। গল্প, চরিত্র, আর নির্মাতার প্রতি আমার বিশ্বাস থাকলে তবেই কাজ করি। কার সঙ্গে কাজ করছি, সেটি কখনোই মুখ্য নয়। গল্পের প্রয়োজনে আমি যে কোনো মানুষের সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত।’ চারপাশের কোলাহল থেকে দূরে, স্পর্শিয়া নিজেকে খুঁজে পান নিজের মধ্যেই।
তার সহজ কথা, ‘আমি আমার ভিশন আর পরিকল্পনাকে গুরুত্ব দিই। অন্যের দিকে তাকালে নিজের মধ্যে ডিস্টার্ব ফিল হয়। তাই নিজের মধ্যেই থাকতে পছন্দ করি।’
দেশের বিনোদন জগৎ নিয়ে তার মন্তব্য, ‘আমাদের ইন্ডাস্ট্রি আসলে এখনো ইন্ডাস্ট্রি হয়ে উঠতে পারেনি। একসময় মানসম্মত কাজ হলেও বর্তমানে এটি যথেষ্ট পিছিয়ে পড়েছে। সিনেমা হোক বা ওটিটি, কাজটি ভালো হতে হবে। আমি সবসময় চেষ্টা করি শ্রেষ্ঠটুকু দেওয়ার। যদিও সব কাজ সমান ভালো হয় না, তবু ব্যালেন্স করার চেষ্টা করি।’
২০২২ সালের দুটি সিনেমা বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে আটকে গেছে। ‘কবে মুক্তি পাবে, আদৌ পাবে কি না, জানি না। তবে ভালো কাজের জন্য অপেক্ষায় আছি। নতুন একটি কাজ নিয়ে কথাও চলছে। শিগগির জানানো হবে।’
দীর্ঘ অভিনয় জীবনে স্পর্শিয়ার ঝুলিতে জমা হয়েছে বেশ কিছু জনপ্রিয় কাজ। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘বন্ধন’, ‘ইতি তোমারই ঢাকা’, ‘আবার বসন্ত’, ‘কাঠবিড়ালী’ ও ‘নবাব এলএলবি’। এসব কাজ তাকে একদিকে যেমন জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছে, তেমনি প্রমাণ করেছে তার অভিনয়ের গভীরতা।
ওটিটির জগতে তার কাজগুলোও দারুণ প্রশংসিত। ‘আবাসিক হোটেল’, ‘পাঁচ ফোড়ন’, এবং ‘বউ ডাইরিজ (টু-লেট)’ তাকে এনে দিয়েছে নতুন মাত্রা। বিশেষ করে তার চরিত্রের বাস্তবিক উপস্থাপনা দর্শকের মনজয় করেছে।

