বরিশালের গৌরনদীতে নিখোঁজের ১০ দিন পর পুকুর থেকে এক স্কুলছাত্রীর (১০) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার তিন আসামি পুলিশের কাছে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। সেইসঙ্গে হত্যার আগে শিশুটিকে ধর্ষণের কথা জানিয়েছেন তারা।
শনিবার দুপুরে এরই মধ্যে এক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা হলে শুক্রবার সন্দেহভাজন তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- উজিরপুর উপজেলার উত্তর মোড়াকাঠি এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল ব্যাপারী (২৪), গৌরনদীর বাটাজোর এলাকার সাকিব খান (১৯) ও দক্ষিণ পশ্চিম পাড়ার লিটন সরদার (৩০)।
জানা যায়, গৌরনদী উপজেলার বাটাজোড় ইউনিয়নের একটি গ্রামে ওই শিশুর বাড়ি। সে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ১৪ ডিসেম্বর রাতে পাশের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। ২৪ ডিসেম্বর বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় ওই দিন শিশুটির বাবা গৌরনদী মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। শুক্রবার সন্দেহভাজন তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. ইউনুস মিয়া জানান, শিশুটির মা নেই। বাবা দিনমজুরের কাজ করেন। ১৪ ডিসেম্বর বাড়ির পাশে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যায়। কিছু সময় পর বিয়ের বর নিয়ে আসা ইজিবাইকে বসেছিল শিশুটি। তখন খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে পাশের বাগানে নিয়ে যায় আসামিরা। সন্ধ্যার পর স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করেন ওই তিন যুবক। পরে শ্বাসরোধে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেন মরদেহ।

