রাজধানীর উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ আইমান নামে ১০ বছরের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি থাকা ওই শিক্ষার্থীকে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের যুগ্ম পরিচালক প্রফেসর ডা. মারুফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সকালে আরেক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। আইসিউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ বছরের শিশু আইমানের মৃত্যু হয়। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ পুড়ে যায়।
ডা. মারুফুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৪১ জন। তাদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন ৬ জন।
তিনি বলেন, চিকিৎসাধীন অনেক শিশুর ৩০ শতাংশের বেশি শরীর পোড়া রয়েছে। এদের শঙ্কামুক্ত বলা যাচ্ছে না। আমরা দিন রাত কাজ করছি, সঙ্গে বিদেশি ডাক্তারও যুক্ত হয়েছেন। কিছু শিশুর অবস্থার উন্নতি ঘটেছে। তাদের মধ্যে অনেককেই দু–একদিনের মধ্যে রিলিজ দেওয়া হতে পারে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আজ শুক্রবার সকাল ১০টার হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় মারা গেছে ৩২ জন। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে ৫১ জন।


