পাকিস্তানের সবচেয়ে জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবে সুতলেজ, রাভি ও চেনাব নদীর পানি বিপজ্জনক মাত্রায় বৃদ্ধি পাওয়ায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৬ লাখেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
নিহতদের মধ্যে ৫ জন শিয়ালকোট, ৪ জন গুজরাট, ৩ জন নারোয়াল, ২ জন হাফিজাবাদ এবং একজন গুজরানওয়ালার বাসিন্দা। জেলার প্রশাসন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জুনের শেষ দিক থেকে শুরু হওয়া ভারী বর্ষণ এবং সম্প্রতি ভারতের বাঁধ খুলে দেওয়ার কারণে নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে পাঞ্জাবের মধ্যাঞ্চল তলিয়ে যায়। পাকিস্তানের আবহাওয়া অধিদপ্তরের আশঙ্কা, বন্যা এবার দক্ষিণ পাঞ্জাবেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
পাকিস্তান দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের (পিডিএমএ) মুখপাত্র ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, প্রদেশের ১৭টি জেলায় বন্যা হয়েছে। এর মধ্যে শিয়ালকোট, নারোয়াল, হাফিজাবাদ, সারগোধা, লাহোর, কাসুর, ওকারা ও ফয়সালাবাদের পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ১০ লাখ মানুষ। উদ্ধারকর্মীরা দেড় লাখেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়েছেন এবং লাখ লাখ গবাদি পশু উদ্ধার করেছেন।
পিডিএমএ-এর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন দুর্যোগে (বজ্রপাত, হড়পা বান, ঘরবাড়ি ধস ইত্যাদি) এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৮০৭ জন।
সূত্র: ডন


