ডাকসুর ভিপি প্রার্থী জালালের জামিন নামঞ্জুর

0
45

হত্যাচেষ্টার মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী জালাল আহমদের জামিনের আবেদন নাকচ করেছেন আদালত।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এদিন জালালের জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবী রফিকুল ইসলাম। অন্যদিকে জামিনের বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সৈয়দ গোলাম মোর্তজা।

এর আগে গত ২৬ আগস্ট তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই মো. আসাদুল ইসলাম তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিনহাজ রহমান তাকে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামি জালাল আহমদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৩-২০১৪ সেশনের শিক্ষার্থী। তিনি ও মো. রবিউল হক মিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের ৪৬২ নম্বর রুমে থাকতেন। জালাল আহমদ সিনিয়র হওয়ায় বিভিন্ন সময়ে মো. রবিউল হককে রুমের ভেতর মারধর করতো এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতেন। গত ২৭ আগস্ট রাতে রবিউল হক রুমে ঘুমাচ্ছিলেন, এমন সময় রাত সাড়ে ১২ টায় দিকে জালাল আহমদ রুমের ভেতরে প্রবেশ করে লাইটের সুইচ অন করে এবং চেয়ার টানাটানি শুরু করে। এতে বিকট শব্দে রবিউলের ঘুম ভেঙ্গে যায়।

রবিউল হক আসামি জালাল আহমেদকে বলেন, ভাই সকালে আমি লাইব্রেরিতে যাব, আপনি একটু আস্তে শব্দ করেন। এতে জালাল আহমদ ক্ষিপ্ত হয়ে রবিউল হকের সঙ্গে তর্কবিতর্ক শুরু করে। তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে জালাল আহমেদ রবিউল হককে হত্যা করার উদ্দেশ্যে কাঠের চেয়ার দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এতে রবিউল হকের কপালে জখম হয়।

রবিউল হক আসামি জালাল আহমেদকে বলেন, ভাই সকালে আমি লাইব্রেরিতে যাব, আপনি একটু আস্তে শব্দ করেন। এতে জালাল আহমদ ক্ষিপ্ত হয়ে রবিউল হকের সঙ্গে তর্কবিতর্ক শুরু করে। তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে জালাল আহমেদ রবিউল হককে হত্যা করার উদ্দেশ্যে কাঠের চেয়ার দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এতে রবিউল হকের কপালে জখম হয়।

পরে জালাল আহমেদ রুমের ভেতর থাকা পুরাতন টিউবলাইট দিয়ে রবিউল হককে হত্যার উদ্দেশ্যে পুনরায় মাথা লক্ষ্য করে আঘাত করে। রবিউল হক মাথা সরিয়ে নিলে টিউবলাইটের আঘাত তার বুকের বাম পাশে লেগে টিউব লাইট ভেঙ্গে গুরুতর জখম হয়। পরে অন্যান্য রুমের ছাত্ররা আহত রবিউল হককে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। এ ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শাহবাগ থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করে।