উপসাগরীয় নিরাপত্তাকে ঘিরে সৌদি আরবের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও পাকিস্তানের সামরিক শক্তিকে সামনে রেখে দুই দেশের মধ্যে এক নতুন কৌশলগত অধ্যায় শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রিয়াদে স্বাক্ষরিত সৌদি-পাকিস্তান কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি (SMDA)-এর আওতায় যেকোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন উভয়ের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে বিবেচিত হবে।
চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, দুই দেশের মধ্যে আট দশক ধরে চলমান ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বকে সামনে রেখে এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার প্রেক্ষাপটে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
চুক্তির মূল বিষয়গুলো হলো:
যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে উভয় দেশ যৌথভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
পাকিস্তান এখন আনুষ্ঠানিকভাবে দুই পবিত্র মসজিদের সুরক্ষায় সৌদি আরবের অংশীদার।
পবিত্র স্থানগুলোর প্রতিরক্ষায় পাকিস্তান সৌদি আরবের পাশে দাঁড়াবে এবং পূর্ণ শক্তি দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাবে।
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলায় একসঙ্গে কাজ করবে দুই দেশ।
চুক্তির সাফল্যে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সৌদি আরব ও পাকিস্তান যৌথভাবে জানিয়েছে, এই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা শুধু দুই দেশের নিরাপত্তা জোরদারই করবে না, বরং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনেও ভূমিকা রাখবে।
সূত্র: জং নিউজ

