আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ইতিমধ্যেই জয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। টানা দুই ম্যাচে জিতে ২–০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা টাইগারদের সামনে এখন একমাত্র লক্ষ্য—হোয়াইটওয়াশ। আজ (রোববার) রাত সাড়ে ৮টায় শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে রশিদ খানের ঘূর্ণিতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। মাত্র ৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। তবে নুরুল হাসান সোহান ও রিশাদ হোসেনের জুটিতে জয় নিশ্চিত হয়। দ্বিতীয় ম্যাচেও পাওয়ার প্লেতে তিন উইকেট হারালেও মিডল অর্ডারের দৃঢ়তায় ঘুরে দাঁড়ায় টাইগাররা। সোহানের অপরাজিত ৩১ রানের ইনিংসে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।
প্রধান কোচ ফিল সিমন্স মনে করছেন, দলটি এখন চাপের ম্যাচ জেতার কৌশল আয়ত্ত করেছে। তিনি বলেন, “প্রথম ম্যাচে ওপেনাররা দেখিয়েছে তারা কী করতে পারে, দ্বিতীয় ম্যাচে মিডল অর্ডার দারুণভাবে দায়িত্ব নিয়েছে। আমরা এখন আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে চাই এবং সেটিই মাঠে প্রতিফলিত হচ্ছে।”
কোচ সোহানের ইনিংসের প্রশংসা করে বলেন, “সোহান নেতৃত্ব দিয়েছে শান্তভাবে, ওর ইনিংসটাই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।” একই সঙ্গে জাকের আলী অনিক ও শামীম পাটোয়ারীর অবদানও তুলে ধরেন তিনি। যদিও জাকেরের সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, সিমন্স জানান, “বিশ্বজুড়ে ব্যাটাররা ফর্মহীনতার মধ্য দিয়ে যায়—এটা কোনো উদ্বেগের বিষয় নয়।”
বল হাতে ধারাবাহিক ছিলেন শরীফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। দ্বিতীয় ম্যাচে পাওয়ার প্লেতে মাত্র ৩৫ রান দেন তারা, শেষ পাঁচ ওভারে খরচ হয় মাত্র ৪০ রান। ফলে আফগানিস্তান প্রত্যাশার চেয়ে কম রান তুলতে পারে। সিমন্সের মতে, “বোলিং ইউনিট এখন যে কোনো অবস্থায় নির্ভরযোগ্য।”
নিয়মিত অধিনায়ক লিটন কুমার দাসের অনুপস্থিতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন জাকের আলী অনিক। ভিসাজনিত সমস্যার কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যেতে পারেননি সৌম্য সরকার, তবে তিনি দেশে থেকেই দলের সাফল্যের আনন্দ উপভোগ করছেন।
আজকের ম্যাচ শেষে দুই দলের মধ্যে শুরু হবে ওয়ানডে সিরিজ। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় মাঠে গড়াবে।

