সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় শওকত মাহমুদ কারাগারে, রিমান্ড শুনানি বৃহস্পতিবার

0
28

রমনা থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও জনতা পার্টি বাংলাদেশের মহাসচিব শওকত মাহমুদকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এ আদেশ দেন।

তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হলেও মামলার মূলনথি না থাকায় সোমবার শুনানি হয়নি। আগামী বৃহস্পতিবার রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

ডিবি পুলিশের রমনা জোনের পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ রোববার রাতে গ্রেপ্তার হওয়া শওকত মাহমুদকে সোমবার আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চান। দুপুর আড়াইটার দিকে ডিবি পুলিশ মাইক্রোবাসে করে তাকে আদালতে নিয়ে আসে এবং পরে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী জানান, রিমান্ড শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় নথি আদালতে না পৌঁছানোয় এদিন শুনানি স্থগিত রাখা হয়।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, শওকত মাহমুদসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজন এনায়েত করিম চৌধুরীর সঙ্গে যোগসাজশে দেশের অখণ্ডতা, সংহতি, সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক ব্যক্তি, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গোপনে বৈঠক ও পরামর্শ করেছেন। এছাড়া একটি প্রভাবশালী রাষ্ট্রের পক্ষে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করারও চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী ৬ সেপ্টেম্বর বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট হিসেবে বাংলাদেশে আসেন। ১৩ সেপ্টেম্বর মিন্টো রোড এলাকায় ‘সন্দেহজনকভাবে’ ঘোরাঘুরির সময় তাকে পুলিশ আটক করে এবং দুটি আইফোন জব্দ করে। পরে রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় জাতীয় পার্টির রওশনপন্থি অংশের মহাসচিব কাজী মো. মামুনূর রশীদসহ আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।