আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে আরও ১৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বিভিন্ন আসনে মনোনয়নপত্রে ত্রুটি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের অসংগতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
যাচাই-বাছাইয়ে গাইবান্ধা-১ আসনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তারা হলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাজেদুর রহমান মাজেদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী ছালমা আকতার ও মো. মোস্তফা মহসীন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী রমজান আলী এবং জাতীয় পার্টির মাহফুজুল হক সরদার। গাইবান্ধা-২ আসনে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মিহির কুমার ঘোষ এবং খেলাফত মজলিসের এ কেএম গোলাম আযম।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আকতার ও আহমদ কবির এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এইচ এম আশরাফ বিন ইয়াকুবের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। খুলনা-৫ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামীম আরা পারভীন (ইয়াসিন) এবং খুলনা-৬ আসনে জাতীয় পার্টির মো. মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আছাদুল বিশ্বাসের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
এ ছাড়া মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. মহিউদ্দিন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির শ ম কামাল, লেবার পার্টির আনিস মোল্লা এবং খেলাফত মজলিসের নূর হোসেন নূরানীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, মনোনয়নপত্রে তথ্যগত ত্রুটি, অসম্পূর্ণ কাগজপত্র ও অন্যান্য অসংগতির কারণেই এসব মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তবে কমিশনের বিধি অনুযায়ী বাতিল হওয়া প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করার সুযোগ পাবেন। আপিল নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।