ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে জুনায়েদ হাসানকে পদসহ দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন। একই সাথে দলের কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট থেকে জানা যায়, শাকসু নির্বাচন বাতিলের দাবিতে যখন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতারা ঢাকায় নির্বাচন কমিশন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন, তখন জুনায়েদ হাসান শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে নির্বাচনের পক্ষে সরব ছিলেন। তিনি নিজেকে স্বতন্ত্র সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন এবং গত ১৭ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের জন্য ১৪ দফা ইশতেহার পেশ করেন।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জুনায়েদ হাসান বলেছিলেন, ছাত্রসংসদ কোনো রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের একটি স্বতন্ত্র প্ল্যাটফর্ম। তাই শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তিনি দলীয় প্রভাবমুক্ত হয়ে নির্বাচনে লড়ছেন। দলীয় চাপের মুখে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে, কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে তিনি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে থাকবেন। মূলত দলের কেন্দ্রীয় অবস্থানের বিপরীতে গিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের এই অনড় অবস্থানের কারণেই তাকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করল ছাত্রদল।