নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় নিখোঁজের ৩৮ দিন পর আলপনা (৩৫) নামে এক গৃহবধূর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তার স্বামী আল-আমিন মন্ডল ওরফে ইরানুরকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে উপজেলার শুক্তগ্রামের বাবরা–হাচলা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, শুক্তগ্রাম পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা আল-আমিন মন্ডলের স্ত্রী সুমি ওরফে আলপনা গত ১৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার পর শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় পরদিন (২০ ডিসেম্বর) আলপনার ভাই মো. সাকিব মোল্যা (১৯) কালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জিডির তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আলপনা নিখোঁজের ঘটনায় স্বামী আল-আমিনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পায় পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হলে তিনি স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী রাতেই পুলিশ সেপটিক ট্যাংক থেকে আলপনার মরদেহ উদ্ধার করে।
কালিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম জানান, স্বামীর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং তাকে আটক রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে কালিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রবিন হালদার বলেন, নিখোঁজের জিডির পর থেকেই পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে। স্বামীর স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।