ইরান ছাড়তে মার্কিন নাগরিকদের আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের 

0
24
ইরান ছাড়তে মার্কিন নাগরিকদের আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের 

আকাশসীমা আংশিকভাবে খুলে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে ইরানে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত দেশটি ত্যাগের পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ আহ্বান জানানো হয়।

পোস্টে বলা হয়েছে, মার্কিন নাগরিকরা যেন ফ্লাইট সংক্রান্ত তথ্য জানতে ইরানের বাণিজ্যিক এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের আপডেট অনুসরণ করেন। পাশাপাশি সড়কপথে আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, তুরস্ক ও তুর্কমেনিস্তানের মাধ্যমে দেশ ছাড়ার বিকল্প পথও খোলা রয়েছে বলে জানানো হয়। তবে আফগানিস্তান ও ইরাকে ভ্রমণ না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র দপ্তর আরও জানিয়েছে, ইরান সরকার মার্কিন নাগরিকদের দেশত্যাগে বাধা দিতে পারে বা ‘এক্সিট ফি’ দাবি করতে পারে। যাদের দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে, তাদের ইরানি পাসপোর্ট ব্যবহার করে ভ্রমণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী শুক্রবারের মধ্যে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা নিয়ে ‘সুসংবাদ’ আসতে পারে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পাকিস্তানের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, তেহরানের সঙ্গে তাদের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। আগামী ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, “এটি সম্ভব।”

এর আগে, ইরানের পক্ষ থেকে ‘একীভূত প্রস্তাব’ না আসা পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেন ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, সামরিক বাহিনীকে অবরোধ অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তবে আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি বহাল থাকবে।

ট্রাম্পের ঘোষণার পর থেকেই ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদার করেছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানি সূত্রগুলোর মতে, চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার অগ্রগতির ভিত্তিতেই সম্ভাব্য আলোচনার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সূত্র: ডন, দ্য নিউইয়র্ক পোস্ট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here