ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) রাজস্থান রয়্যালস শিরোপা জিততে পারেনি, কিন্তু তাদের ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী সব আলো কেড়েছেন। রেকর্ডময় প্রতিযোগিতা শেষে তিনি একাধিক পুরস্কার জিতলেন।
১৬ ইনিংসে ২৩৭.৩০ স্ট্রাইক রেটে ৭৭৬ রান করেছেন সূর্যবংশী। দলকে প্লে অফের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে তোলেন, যেখানে তারা হেরে যায় গুজরাট টাইটান্সের কাছে। ফাইনালে উঠতে না পারায় অশ্রুসিক্ত ছিলেন সূর্যবংশী। তবে ফাইনাল শেষে একাধিক পুরস্কার জয়ের হাসি তার মুখে।
সূর্যবংশী বগলদাবা করেছেন মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার (এমভিপি), অরেঞ্জ ক্যাপ (সর্বোচ্চ রান) ও ইমার্জিং প্লেয়ার অ্যাওয়ার্ডস। এছাড়া সুপার স্ট্রাইকার অব দ্য সিজন ও সুপার সিক্সেস অব দ্য সিজন অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছেন তিনি। গুজরাটের পেসার কাগিসো রাবাদা সর্বোচ্চ উইকেট নিয়ে পার্পল ক্যাপ পেয়েছেন। ১৭ ম্যাচে ৯.৬৮ ইকোনমি রেটে ২৯ উইকেট নেন তিনি। এনিয়ে দ্বিতীয়বার পার্পল ক্যাপ জিতলেন প্রোটিয়া পেসার।
১৫ বছর বয়সী সূর্যবংশী প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে একই মৌসুমে এমভিপি ও ইমার্জিং প্লেয়ার অ্যাওয়ার্ডস জিতলেন। ২০১১ সালে ক্রিস গেইলের পর তিনিই প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে রান ও স্ট্রাইক রেটে (ন্যূনতম ২০ বল খেলে) এক মৌসুমে সবার শীর্ষে। এছাড়া এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ছক্কাতেও গেইলকে (৫৯) টপকে শেষ করেছেন ৭২ ছয় মেরে।
ফাইনাল শেষে পুরস্কার হাতে নিয়ে সূর্যবংশী বললেন, ‘দারুণ লাগছে। কিন্তু চাপবোধ করছি কারণ আমি সাক্ষাৎকার দিচ্ছি। এটা গর্বের মুহূর্ত এবং আমি চেষ্টা করব পরের মৌসুমেও ভালো করতে।’
এই মৌসুম থেকে বেশ কিছু শিক্ষা নিয়েছেন তিনি, ‘চাপের ম্যাচে কীভাবে খেলবেন, প্রতি ম্যাচে নিজেকে কীভাবে পাল্টাতে হবে, প্রত্যেক ম্যাচ একইভাবে খেলতে পারবেন না, ম্যাচ পরিস্থিতি বুঝতে হবে এবং দলের চাহিদা অনুযায়ী খেলতে হবে। এই মৌসুম থেকে এগুলোই আমি শিখেছি। (ফিটনেস নিয়ে) হ্যাঁ, আমার মনোযোগ সেদিকে। আমাকে যদি লম্বা সময় খেলতে হয় ইনজুরি থেকে বাঁচতে হবে এবং আমার ফিটনেস নিয়ে কাজ করবে হবে, আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে।’