মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে টানা বৃষ্টির কারনে রাস্তা ভাঙন দেখা দিয়েছে। উপজেলার কামারখাড়া ইউনিয়নের বরাইল দরবার শরীফ হতে পদ্মা নদীর পাড়ে যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটির বরাইল গ্রামের জায়েদুল ইসলাম এর বাড়ির সামনে ভাঙন দেখা দেয়। এতে দু:শ্চিন্তা ও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ওই এলাকার বাসিন্দাদের।
মঙ্গলবার (১৫জুলাই) দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, আজিজ খান চিশতির বাড়ি হতে স্থানীয় জায়েদুল ইসলাম এর বাড়ি পর্যন্ত মাটির রাস্তাটি বিভিন্ন অংশ ভেঙে গেছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে মাটি সরে গিয়ে যেকোনো সময় রাস্তাটি খালে পরিনত হতে পারে। এতে করে ওই এলাকার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা জায়েদুল ইসলাম বলেন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাহিদ খান এবং কামারখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান হাওলাদার এর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে রাস্তাটি আমরা পেয়েছি। তাই তাদের কাছে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। তাদের জন্য অন্তরের অন্তস্থল থেকে ভালোবাসা ও দোয়া রইল। কিন্তু পরিতাপের বিষয় এই যে, যাদের দ্বারা রাস্তাটি করানো হয়েছে তাদের খামখেয়ালি কারণে রাস্তাটির আজকের এই অবস্থা। তারা একরকম প্রভাব খাটিয়েই চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনা না মেনে রাস্তাটি রাস্তার জায়গায় না করে অন্যের পুকুর ঘেঁষে রাস্তাটি নির্মাণ করে।পূর্বের বরাদ্দে যে বালু ফেলা হয়েছিল ওই বালু দিয়েই রাস্তাটি উঁচু করা হয় হয়।
পূর্বের বরাদ্দের টাকায় যেখানে বালু ভরাট হয়েছিল সেই বালুর উপরেই রাস্তা হওয়ার কথা থাকলেও রাস্তাটি ওইভাবে করা হয়নি। বরং ওই বালু কেটেই উঁচু করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন রাস্তাটি পুকুরপাড় থেকে আরো উত্তর দিকে কিন্তু রাস্তাটি উদ্দেশ্য প্রণীতভাবে দক্ষিণ দিকে নিয়ে আসা হয়েছে। বারবার বলার পরেও এবং সরোজমিনে রাস্তার ম্যাপ দেখিয়েও রাস্তাটি রাস্তার জায়গায় করানো হয়নি। একটি মহল যাতে রাস্তার জায়গাটি ব্যবহার করতে পারে সেই জন্য রাস্তাটি দক্ষিণ দিকে আনা হয়েছে।কিছু মানুষের হীনমন্যতার কারণে আজ রাস্তাটি এই বেহাল দশা।
এ বিষয়ে কথা বলতে ওই ওয়ার্ডের সদস্য নজরুল ইসলাম ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুতফর হালদার খুকুর নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে উভয়ের ফোন নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।

