২০২৬ সালে লা লিগায় নিজেদের শতভাগ জয়ের ধারা বজায় রাখল রিয়াল মাদ্রিদ। ভ্যালেন্সিয়ার মাঠ মেস্তায়ায় সহজ ম্যাচ না হলেও শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে মাদ্রিদ।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে মেস্তায়া স্টেডিয়ামে আলভারো আরবেলোয়ার দলের হয়ে প্রথমে দুর্দান্ত গোল করেন আলভারো কারেরাস। এরপর যোগ করা সময়ে ব্যবধান বাড়ান কিলিয়ান এমবাপ্পে।
ম্যাচের শুরুতে দুই দলের আক্রমণেই খুব বেশি ধার দেখা যায়নি। প্রথমদিকে এমবাপ্পে দুটি ভালো সুযোগ পেলেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেননি। সময়ের সঙ্গে খেলার গতি বাড়ে এবং ২৮তম মিনিটে রিয়াল প্রথমার্ধের সেরা সুযোগ পায়। প্রথমবার লা লিগায় শুরুর একাদশে নামা দাভিদ হিমেনেস ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে শট নিলে গোলরক্ষক পা দিয়ে সেটি ঠেকিয়ে দেন।
বিরতির পর রিয়ালের আক্রমণ কিছুটা ধীর হয়ে পড়ে। উল্লেখযোগ্য কিছু করতে না পারলেও ৬৫তম মিনিটে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে ম্যাচের ডেডলক ভাঙেন কারেরাস। ডিন হাউসেনের পাস পেয়ে দুজন ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে বক্সে ঢুকে একজনকে কাটিয়ে আরেকজনের পায়ের নিচ দিয়ে শট নিয়ে গোল করেন তিনি।
কারেরাসের গোলে পিছিয়ে পড়ার ছয় মিনিট পর ভ্যালেন্সিয়া সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল। তবে লুকাস বেল্তানের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে বেঁচে যায় রিয়াল। ৭৬তম মিনিটে রিয়াল কোচ গার্সিয়া ও হিমেনেসকে তুলে ব্রাহিম দিয়াস ও চোট কাটিয়ে ফেরা ট্রেন্ট অ্যালেকজান্ডার-আর্নল্ডকে নামান।
৮২তম মিনিটে এমবাপ্পে আরও একটি সুযোগ পেলেও শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। তবে যোগ করা সময়ে ব্রাহিম দিয়াসের পাস পেয়ে প্রথম ছোঁয়ায় শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। এ নিয়ে লিগে এমবাপ্পের গোল দাঁড়াল ২৩টি।
এই জয়ে লিগে টানা সপ্তম ম্যাচ জিতল রিয়াল। ২৩ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৫৭, তারা টেবিলের দুই নম্বরে আছে। সমান ম্যাচে ১ পয়েন্ট বেশি নিয়ে শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা। অন্যদিকে ২৩ ম্যাচে দশম হারের পর ২৩ পয়েন্ট নিয়ে ১৭তম স্থানে রয়েছে ভ্যালেন্সিয়া।