আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন উপলক্ষে ১৯টি দেশ থেকে মোট ৫৪০ জন সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক বাংলাদেশে আসছেন বলেও জানিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য তথ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘মিডিয়া সেন্টার’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসি সচিব জানান, এবারের নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯ আসনে ভোট হবে। একটি আসনে প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় ওই আসনের ভোট স্থগিত করা হয়েছে এবং পরে সেখানে ভোট হবে। তিনি বলেন, ২৯৯ আসনের ব্যালট পেপার ও প্রয়োজনীয় নির্বাচনী উপকরণ সংশ্লিষ্ট স্থানে পৌঁছে গেছে। রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে পর্যায়ক্রমে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের কাছে ব্যালট পেপার যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি কার্যত সম্পন্ন, এখন কেবল ভোটের দিনের জন্য অপেক্ষা।
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে আয়োজনকে “চ্যালেঞ্জ” উল্লেখ করে আখতার আহমেদ বলেন, এই জায়গায় আসাটা সহজ বা মসৃণ ছিল না, তবে ধাপে ধাপে তারা তা অতিক্রম করে এসেছেন। লক্ষ্য হচ্ছে উৎসবমুখর পরিবেশে অবাধ, সুন্দর, সুষ্ঠু এবং অর্থবহ নির্বাচন উপহার দেওয়া।
বিদেশি সংবাদকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তারা যেন সত্য তথ্য তুলে ধরেন এবং অপতথ্য-অপপ্রচার থেকে বিরত থাকেন। কমিশন তথ্য সরবরাহ করবে, ব্যাখ্যা সংবাদমাধ্যমের থাকবে—তবে যেটি সত্য সেটিই জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন, সত্য যত কঠিনই হোক।
নির্বাচনের ফল একীভূতকরণ প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, রেজাল্ট ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে পোস্টাল ব্যালট গণনার কেন্দ্র থেকে ফলাফল আসতে তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে। তার ব্যাখ্যায় তিনি জানান, ব্যালট পেপারের কাঠামোগত কারণেই সেখানে বিচার-বাছাই বা একাধিকবার পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয়। তবে এ কারণে ফল প্রকাশ অযথা দীর্ঘায়িত হবে না বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।