ইরানে আজ রাতেই এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় ও বিধ্বংসী বিমান হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই অভিযানের কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মার্কিন প্রশাসন ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার তীব্রতা বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে হামলার মাত্রা বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় স্কট বেসেন্ট জানালেন, আজ রাতে ইরানে তাদের ‘সবচেয়ে বড় বোমাবর্ষণ কর্মসূচি’ পরিচালিত হবে। এই হামলায় মূলত ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে, যাতে এসব সামরিক অবকাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
সাক্ষাৎকারে মার্কিন অর্থমন্ত্রী ইরানের বিরুদ্ধে বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগ তোলেন। তিনি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ এবং এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টিও উল্লেখ করেন।
এদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়ার তেলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, নিষেধাজ্ঞার কারণে সাগরে আটকে থাকা কোটি কোটি ব্যারেল তেল যাতে বাজারে আসতে পারে, সে জন্য বিধিনিষেধ শিথিল করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই ভারতকে ৩০ দিনের জন্য সাগরে আটকে থাকা রাশিয়ার তেল কেনার বিশেষ অনুমতি দিয়েছে।