সংবিধান সংস্কার পরিষদের ইস্যুটি সংসদের ভেতরেই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চায় জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। তবে সংসদে সুষ্ঠু সমাধান না পাওয়া গেলে রাজপথে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, স্পিকারের পরামর্শ অনুযায়ী তারা নিয়ম মেনে নোটিশ দেবেন এবং আন্তরিকভাবেই চান সংসদীয় প্রক্রিয়ায় এর সমাধান হোক। তবে পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকলে তারা বাধ্য হয়েই রাজপথে নামবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে আলোচনার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে তিনি জানান, এটি সরাসরি সংসদের বিষয় এবং এর চূড়ান্ত সমাধান সংসদেই হতে হবে।
সংবিধানে সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব নেই—সরকারি দলের এমন বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমেই ২০২৬ সালের ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা সংবিধানে ছিল না। সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির আদেশের একটি অংশ মানা এবং অন্য অংশ (সংস্কার পরিষদ) অস্বীকার করা দ্বিমুখী আচরণ। মানলে পুরো আদেশই মানতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জনগণের ইচ্ছাই হলো সর্বোচ্চ সংবিধান। যেহেতু গণভোটে সংস্কারের পক্ষের প্রস্তাব জয়ী হয়েছে, তাই এখন আর সরকারের পিছিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।