বাজারে উত্তাপ, সাধারণের নাগালের বাইরে নিত্যপণ্য

0
11
বাজারে উত্তাপ, সাধারণের নাগালের বাইরে নিত্যপণ্য

রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। বর্তমানে মাছ ও ব্রয়লার মুরগির দাম ২০০ টাকার নিচে নামছে না এবং প্রতি ডজন ডিমের জন্য ব্যয় করতে হচ্ছে প্রায় ১৫০ টাকা। গরুর মাংসের দাম ৮০০ টাকার আশেপাশে স্থিতিশীল থাকলেও নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে ব্রয়লার মুরগি, পাঙাশ ও তেলাপিয়া মাছের উচ্চমূল্য। বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ক্রেতাসাধারণের পক্ষ থেকে জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন প্রকার মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায় এবং খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি ডজন ফার্মের ডিমের দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ২০০ টাকায় পৌঁছালেও সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও ব্যাপক অস্থিরতা বিরাজ করছে। পুকুরে চাষ করা মাছের মধ্যে প্রতি কেজি জ্যান্ত পাঙাশ ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া মানভেদে চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছের মতো মাছগুলোর দাম কেজিপ্রতি এক হাজার টাকা ছাড়িয়ে গেছে। বাজারে চাহিদার তুলনায় ব্রয়লার মুরগির সরবরাহ কম থাকা এবং মাছের ক্রয়মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় খুচরা পর্যায়ে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। নিত্যপণ্যের এই ঊর্ধ্বগতি বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যাপক সংকট তৈরি করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here