মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের আপিলের শুনানি ১৭ আগস্ট

0
29
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের আপিলের শুনানি ১৭ আগস্ট

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের আপিল চলবে কি না, সে বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ১৭ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

ওই দিন আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণযোগ্য কি না, সে বিষয়ে শুনানি হবে।

সোমবার (১৬ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

বেঞ্চের অন্য তিন সদস্য হলেন বিচারপতি মোহাম্মদ রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

আবুল কালাম আযাদ নির্ধারিত সময়ের ১৩ বছর পর আপিল করার সুযোগ পেয়েছেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। তবে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি রায় ঘোষণার সময় আবুল কালাম আযাদ বিদেশে পলাতক থাকায় তিনি আপিল করতে পারেননি।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরুর পর সেটিই ছিল ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায়।

তাতে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক রুকন আবুল কালাম আযাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, আটক, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটসহ আটটি অভিযোগের মধ্যে সাতটি প্রমাণিত হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, ২০২৫ সালের মার্চে পাকিস্তান হয়ে আযাদের দেশে ফেরার খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এরপর সাজা স্থগিত চেয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন তিনি।

সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর তার দণ্ডাদেশ স্থগিত করে তখনকার অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তবে শর্ত দেওয়া হয়, আদালতে আত্মসমর্পণ করে তাকে আপিল দায়ের করতে হবে।

এরপর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে আপিল প্রস্তুতের জন্য রায়ের সার্টিফায়েড কপি (নকল) ও অন্যান্য নথিপত্র চেয়ে আবেদন করেন আবুল কালাম আযাদ। পরে তিনি আপিলও দায়ের করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here