হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে গ্রাম পঞ্চায়েত কমিটির সমিতির ফান্ডে রাখা টাকার হিসাবকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) সকাল ৯টায় উপজেলার জলসুখা ইউনিয়নের নোয়াগড় গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নোয়াগড় গ্রাম পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা শাজাহান মিয়ার কাছে গ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির ফান্ডের টাকা এবং নোয়াগড় মাদ্রাসা ফান্ডের প্রায় কোটি টাকা রক্ষিত ছিল। ফান্ডের সেই টাকার হিসাব বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য কয়েক সপ্তাহ ধরে বেশ কয়েকবার গ্রামবাসীর একাংশ শাজাহান মিয়াকে তাগাদা দেন। কিন্তু প্রতিবারই শাজাহান মিয়া হিসাব না দিয়ে গড়িমসি করতে থাকেন।
মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) রাতে নোয়াগড় মাদ্রাসা কমিটির আহ্বায়ক বশির মিয়াসহ এলাকার কিছু মানুষ হিসাবের জন্য শাজাহান মিয়ার কাছে গেলে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা বাধে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্য ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরই জেরে বুধবার সকালে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দেড় ঘণ্টাব্যাপী এই সংঘর্ষ চলে নোয়াগড় গ্রামে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আলী জানান, ফান্ডের টাকার হিসাব নিয়ে মঙ্গলবার রাত থেকেই উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরই জেরে বুধবার দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ বি এম সাঈদুল হাছান বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণের একপর্যায়ে আমি আহত হই। তবে পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।’

