স্ত্রীকে ঘরে রেখে তারাবির নামাজে গিয়েছিলেন স্বামী। নামাজ শেষে ঘরে ফিরে তিনি দেখতে পান স্ত্রীর গলাকাটা নিথর মরদেহ খাটের ওপর পড়ে রয়েছে। এ ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় মসজিদের মাইকে ডাকাত ঢুকেছে বলে মাইকিং করা হয়, যা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তারাবির নামাজ আদায় করতে স্ত্রী মুক্তা বেগমকে ঘরে রেখে মসজিদে গিয়েছিলেন মান্নান গাজী। যাওয়ার সময় তিনি বাইরে থেকে ঘরের প্রধান ফটক আটকে গিয়েছিলেন। নামাজ শেষে ঘরের প্রধান ফটক খুলে ভেতরে প্রবেশ করার পর তিনি দেখতে পান স্ত্রীর গলাকাটা মরদেহ খাটের ওপর পড়ে রয়েছে। এ ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে মসজিদের মাইক থেকে মাইকিং করা হয়, স্থানীয়দের জানানো হয় যে ডাকাতি হয়েছে, যা এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করে।
স্থানীয় বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “মসজিদের মাইকের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি গিয়েছিলাম, কিন্তু পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেছে।” তিনি আরও জানান, মান্নান গাজীর এক ছেলে প্রবাসী।
ভেদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ হাসান সেলিম বলেন, “ঘটনাস্থলে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে কাজ করছে এবং অন্যান্য ইউনিট আসছে। এলাকা থেকে ডাকাতির ঘটনা সম্পর্কে যে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তা এখনও আমরা নিশ্চিত নই। মরদেহ উদ্ধারসহ প্রাথমিক তদন্ত শেষে ঘটনার সারমর্ম জানানো হবে।”

