শুনানির একপর্যায়ে বিচারক সাবেক সিইসিকে প্রশ্ন করেন, ‘আপনি কি শপথ ভঙ্গ করেছেন?’ জবাবে নুরুল হুদা বলেন, ‘না, আমি শপথ ভঙ্গ করিনি।’
নুরুল হুদা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন গঠিত হয় পাঁচজন সদস্যকে নিয়ে, আর ১৬ লাখ জনবল নিয়ে নির্বাচন পরিচালনা করা হয়। ঢাকায় বসে প্রত্যন্ত এলাকার ভোট দেখা সম্ভব নয়।’
বিচারক তখন বলেন, ‘আপনি তো শপথ নিয়েছেন যে ফেয়ার (সুষ্ঠু) নির্বাচন দেবেন। ভোটের অনিয়ম হলে আপনি কী ব্যবস্থা নিয়েছেন?’
জবাবে কে এম নুরুল হুদা বলেন, ‘ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার। হাইকোর্ট নির্বাচন বন্ধ করতে পারে। নির্বাচন কমিশন কিছুই করতে পারে না। ফলে নির্বাচন বিতর্কিত হলেও কমিশন দায়ী হতে পারে না।’
শুনানি শেষে আদালত সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদাকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অনুষ্ঠিত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে বিএনপি একটি মামলা করেছে। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তিন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ মোট ২৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। গতকাল রবিবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানায় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. সালাহউদ্দিন খান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

