শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে জনতার দলের ময়মনসিংহ বিভাগীয় যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মো. সাইয়েদ আঙ্গুরের ওপর হামলা ও তার কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৮ জুন) রাতে শেরপুর প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি ঢাকার বঙ্গবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি। পাশাপাশি একটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী। বেশ কিছুদিন পূর্বে নালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে চোরাকারবারি, চাঁদাবাজি ও জবর দখলের সত্য সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় গত ১৬ জুন বিকেলে নয়াবিল দক্ষিণবাজারে মিজান চেয়ারম্যানসহ তার দুই ভাই নূরে আলম সিদ্দিক শাহীন (৩৫), নূরল আমিন (৪৫), সুমাইল (২৮)সহ বেশ কয়েকজন আমার পথরোধ করে প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শন করে। সেদিনের ঘটনা জনসম্মুখে হওয়ায় কোনরকমে প্রাণে বেঁচে আমি চলে আসি। পরবর্তীতে আমার জনতার দলের চেয়ারম্যান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব:) শামীম কামাল স্যার শেরপুর জেলার ৫টি থানায় দলের কমিটি গঠন করার জন্য মৌখিক নির্দেশের পর আমি কমিটি করার উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে নালিতাবাড়ী আসি। শনিবার নয়াবিল ইউনিয়নের সিধুলী গ্রামে আমার নিজ জায়গায় একটি দু’তলা বাড়ীর নির্মাণ কাজের তদারকির সময় মিজান চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ আমাকে দলীয় কমিটি গঠন প্রক্রিয়া বন্ধ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করে এবং আমার কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। আমি চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তারা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে ও শরীরে প্রহার করে এবং প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। পরে আমি চিৎকার শুরু করলে তারা সেখান থেকে সটকে পড়ে।
এই মিজান চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ছাত্র হত্যা মামলা, সাংবাদিকের ওপর হামলার মামলাসহ ৫টি মামলা চলমান রয়েছে। তাই মিজানসহ তার সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানান তিনি। ইতোমধ্যে আমি শেরপুর সেনা ক্যাম্প বরাবর অভিযোগ দিয়েছি। একইসাথে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে জনতার দল শেরপুর জেলা শাখার সভাপতি বুলবুল আহমেদসহ জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

