আদালতে নির্দোষ দাবি করে খালাস চাইলেন নাসির-তামিমা

0
45

ডিভোর্স না দিয়ে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে মামলায় আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করলেন ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত্রীর তামিমা সুলতানা তাম্মি।

মামলাটির আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে আজ সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে তারা খালাস চান।বিচারক মো. জাকির হোসাইন শুনানি শেষেআগামী ১১ আগস্ট সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান বলেন, আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে আসামিরা নিজেদেরকে নির্দোষ দাবি করে সাফাই সাক্ষী দেবেন বলে জানান। আগামী ধার্য তারিখে তাদের সাফাই সাক্ষী হবে।

এদিন শুনানিকালে ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তামিমা সুলতানা তাম্মি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও রাকিবের বিয়ে হয়। তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তাম্মি পেশায় একজন কেবিন ক্রু। ওই বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্র-পত্রিকায় তিনি ঘটনার বিষয়ে সম্পূর্ণ জানেন।

রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান অবস্থাতেই তাম্মি নাসিরকে বিয়ে করেছেন; যা ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। তাম্মিকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন নাসির। তাম্মি ও নাসিরের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার আট বছর বয়সী কন্যা মারাত্মভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়েছেন। আসামিদের এমন কার্যকলাপে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে, যা তার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

দণ্ডবিধির ৪৯৭,৫০০ এবং ৩৪ ধারায় মামলাটির আবেদন করা হয়েছিল। মামলায় আগের বিয়ে গোপন থাকা অবস্থায় অন্যত্র বিয়ে, অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যাভিচার ও মানহানির অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে পিবিআই’র পুলিশ পরিদর্শক (নি.) শেখ মো. মিজানুর রহমান তিনজনকে দোষী উল্লেখ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। পরের বছরে ২৪ জানুয়ারি আদালত নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। তবে এ মামলার অপর আসামি তামিমার মা সুমি আক্তারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

চলতি বছরের ১৬ এপ্রিল মামলাটিতে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। মামলাটিতে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here