৫ ঘণ্টা পর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় খাদ্য কর্মকর্তা উদ্ধার

0
55

খুলনায় খাদ্য পরিদর্শক সুশান্ত কুমার মজুমদারকে পুলিশ পরিচয়ে অপহরণের ৫ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে খাদ্য পরিদর্শক সুশান্ত কুমার মজুমদারকে।উদ্ধারের পর তাকে খুলনা সদর থানায় রেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

গতকাল রবিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে তেরখাদা উপজেলার আজগড়া বিআরবি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তাঁর হাত, পা ও চোখ বাঁধা ছিল।

সুশান্ত কুমার মজুমদার খুলনা নগরের ৪নং ঘাটের খাদ্য পরিদর্শক ও ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত। তার বাড়ি বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায়।

এর আগে রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ৪নং ঘাট এলাকা থেকে পুলিশ পরিচয়ে সুশান্ত মজুমদারকে তুলে নিয়ে যায় কয়েকজন ব্যক্তি।পরে তার মুক্তির জন্য পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে চক্রটি।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রবিবার সন্ধ্যায় নগরীর ৪নং ঘাট এলাকার নাসিমার চায়ের দোকান থেকে কয়েকজন ব্যক্তি খাদ্য কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মজুমদারকে চাঁদার দাবিতে অপহরণ করে নেয়। এ সময়ে অপহরণকারীরা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে ওই খাদ্য কর্মকর্তাকে ট্রলারযোগে নদীর অপর প্রান্ত পার হয়ে যায়।

এ ঘটনায় সুশান্ত কুমার মজুমদারের স্ত্রী মাধবী মজুমদার খুলনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশের লোক পরিচয় দিয়ে মো. রেজা ও বাবু মণ্ডল নামের দুই ব্যক্তি এবং আরও তিনজন মিলে তার স্বামীকে হাতকড়া পরিয়ে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান। ট্রলারে ওঠানোর পর মারতে মারতে তারা ট্রলার জেলখানা ঘাটের দিকে নিয়ে যান। অপহরণের পর তার ব্যবহৃত দুটি মুঠোফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। বাবু মণ্ডল এর আগে তার স্বামীর কাছে একাধিকবার টাকা দাবি করেছিলেন। তবে সুশান্ত কুমার তাতে রাজি হননি।

খুলনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অপহরণের পরপরই খুলনা সদর থানা পুলিশ অভিযান শুরু করে। পুলিশের অভিযানে আতঙ্কিত হয়ে অপহরণকারীরা তাকে তেরখাদা উপজেলার আজগড়া গ্রামের বিআরবি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে হাত-পা এবং চোখ বাঁধা অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।পরবর্তী সময়ে সেখানকার পুলিশের সহায়তা নিয়ে সুশান্ত কুমার মজুমদারকে উদ্ধার করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here