জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গেই ‘জুলাই সনদ’ গণভোটের প্রস্তাব নুরের

0
50

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর (সাবেক ভিপি) বলেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তফসিল ঘোষণার আগে গণভোট করার কোনো বাস্তবতা নেই। এই প্রেক্ষাপটে তিনি জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গেই ‘জুলাই সনদকে’ আইনী ভিত্তি দিতে গণভোট করার প্রস্তাব করেছেন।

রবিবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর বহুমুখি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গণঅধিকার পরিষদের সাদুল্লাপুর উপজেলা শাখা আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচন ও গণভোটের অবস্থান: নুরুল হক নুর তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমরা মনে করি, জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে গণভোট হতে পারে। তবে, অবশ্যই গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদকে আইনীভিত্তি দিতে হবে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে হলে ডিসেম্বরেই তফসিল ঘোষণা হতে পারে।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার জন্য গণঅধিকার পরিষদ কাজ করছে বলে জানান নুর।

তিনি দেশের বৃহত্তর স্বার্থ এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য জোট গঠনের ব্যাপারে তাঁর দলের অবস্থান স্পষ্ট করেন।

তিনি বলেন, “এখনকার এই রাজনৈতিক দলগুলো সবাই মিলেমিশে গণঅভ্যুত্থানে মাধ্যমে আজকের এই পরিবর্তন এনেছে। আগামীতে যদি জাতীয় প্রয়োজনে কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করতে হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে, বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য আমরা সেটি বিবেচনা করব। তফসিল ঘোষণা হলে সে ব্যাপারে সিন্ধান্ত নেওয়া হবে।”

নুরুল হক নুর জনগণকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “যারা গণঅভ্যুত্থানে জীবন দিয়েছেন, রক্ত দিয়েছেন, সেই সন্তানদের আপনারা আগামী সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করেন। তারাই পারবে আপনাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে।”

এ সময় তিনি গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের জন্য গণঅধিকার পরিষদের সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসাবে মো. সুরুজ্জামান সরকারের নাম ঘোষণা করেন এবং ‘ট্রাক মার্কায়’ ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করতে এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন দলটির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা মোন্নাফ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন— গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের মনোনীত প্রার্থী মো. সুরুজ্জামান সরকার, গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ফারুক হোসাইন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শহিদুল ইসলাম ও হানিফ খান সজিব, শ্রমিক অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আব্দুর রহমান, গণঅধিকার পরিষদের উপজেলা কমিটির সদস্য ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান মুন্সি এবং নজরুল ইসলাম মাস্টার।