বর্ণিল আয়োজনে বিশ্বজুড়ে খ্রিস্টীয় নতুন বছর ২০২৬-কে স্বাগত

0
42

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে খ্রিস্টীয় নতুন বছর ২০২৬-কে স্বাগত জানানো হয়েছে। আতশবাজির বর্ণিল আলোকচ্ছটা আর জাঁকজমকপূর্ণ উদযাপনে নতুন বছরের প্রথম প্রহর আলোকিত হয়ে ওঠে। সময়ের তারতম্য অনুযায়ী দেশভেদে আলাদা আলাদা সময়ে মধ্যরাতের আগে থেকেই নববর্ষ উদ্যাপন শুরু হয়।

প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতির কিরিটিমাতি প্রথম স্থান হিসেবে ২০২৬ সালে প্রবেশ করে। এর কিছুক্ষণ পরই নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে বর্ণিল আতশবাজির মাধ্যমে খ্রিস্টীয় নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতেও নানা আয়োজনে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়েছে। তবে এ বছরের উদযাপনে ছিল শান্তির বিশেষ বার্তা। সম্প্রতি বন্ডাই সৈকতে বন্দুকধারীদের গুলিবর্ষণে হতাহতের ঘটনা স্মরণ করে সিডনি হারবার ব্রিজে আলোকসজ্জার মাধ্যমে ‘শান্তি ও একতা’ লেখা প্রদর্শন করা হয়। এ সময় মনোমুগ্ধকর আতশবাজি ফোটানো হয় এবং সেখানে অসংখ্য মানুষের জমায়েত হয়।

তবে এই উদযাপনের সময় বাড়তি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে কয়েক হাজার সশস্ত্র পুলিশ শহরের রাস্তায় টহল দিতে দেখা যায়, যা অস্ট্রেলিয়ার জন্য বিরল একটি দৃশ্য।

এশিয়া মহাদেশেও নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে দেখা গেছে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন। চীনের রাজধানী বেইজিংজুড়ে শোনা যায় ঢাকের বাদ্য। আলোকসজ্জার নিচে শহরের একটি বড় মন্দিরের সামনে অসংখ্য মানুষ জড়ো হন। এ ছাড়া জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায়ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে খ্রিস্টীয় নববর্ষ উদ্‌যাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র: বিবিসি