স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে যা লিখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

0
24
স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে যা লিখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে স্মৃতিসৌধে গিয়ে তিনি এই বইতে তার মন্তব্য লিখেন।

স্বাক্ষরে তিনি বাংলায় ১৮-২-২০২৬ তারিখ উল্লেখ করেন এবং পদবির স্থানে লেখেন “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।” মন্তব্যের ঘরে তিনি লিখেছেন, “ফ্যাসিবাদী শাসন ও শোষণের পর একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকামী জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের জনগণ গণতন্ত্রের পথে নতুন যাত্রা শুরু করেছে। আলহামদুলিল্লাহ। আমি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানাই।”

তারেক রহমান লিখেছেন, বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি নবগঠিত মন্ত্রীসভাসহ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, শহীদদের আত্মত্যাগের ফলে আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রামসহ দেশের ইতিহাসে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও লিখেছেন, “আমি এবং আমরা বিশ্বাস করি, শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি নিরাপদ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্যই আমরা কাজ শুরু করেছি। আল্লাহ যেন আমাদের জনগণের সামনে ঘোষিত প্রতিটি কর্মসূচি বাস্তবায়নের তৌফিক দান করুন। আমি আবারও আল্লাহর দরবারে সকল শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি।”

এ সময় সরকারের নবনির্বাচিত মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দেশের ইতিহাসের গৌরবময় মুহূর্তগুলো স্মরণ করেছেন।

স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন ও পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষরের এই কর্মসূচি বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের প্রতি জনসম্মান এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি গুরুত্বের পরিচায়ক। নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগ দেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও শহীদদের প্রতি জনগণের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নবগঠিত মন্ত্রিসভা সরকারের প্রথম দিনেই স্মৃতিসৌধে এই কর্মসূচি, নতুন সরকারের গণতান্ত্রিক ও মানবিক নীতি প্রদর্শনের একটি দৃষ্টান্ত। সরকারের অন্যান্য কার্যক্রমের সঙ্গে এ ধরনের উদ্যোগ জনগণের কাছে নীতি ও আদর্শগত দিক থেকে বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে।