রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনায় জ্ঞানী-গুণীদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী

0
41
রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনায় জ্ঞানী-গুণীদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব রাজনীতিবিদদের হাতে থাকলেও দেশের সামগ্রিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণে জ্ঞানী-গুণীজনদের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন। এটি কেবল একটি পদক নয়; বরং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহকে স্মরণে রাখার একটি অনন্য মাধ্যম। একই সঙ্গে শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, গবেষণা ও সৃজনশীল চর্চার মাধ্যমে যারা রাষ্ট্র ও সমাজকে সমৃদ্ধ করেছেন, তাদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের পরিচয় ঘটানোর একটি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজে কৃতী মানুষের সংখ্যা যত বাড়বে, সেই সমাজ তত বেশি সমৃদ্ধ ও আলোকিত হবে।

শিক্ষা, গবেষণা ও শিল্প-সাহিত্যের চর্চা আরও বেগবান করতে সরকার দায়িত্ব পালন করবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ও সংস্কৃতির রাজনীতিকরণ কখনোই সভ্য দেশের পরিচয় হতে পারে না। জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখায় দেশকে এগিয়ে নিতে নৈতিক মানসম্পন্ন, উদার ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার কাজ করবে বলেও জানান তিনি।

জাতীয় ইতিহাসে ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক এবং সংস্কৃতিচেতনার প্রাণপ্রবাহ। এটি যেমন মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম, তেমনি জুলুমের বিরুদ্ধে অধিকার আদায়ের আন্দোলন। ফেব্রুয়ারি আত্মপরিচয় ও শেকড়ের সন্ধানের মাস।

জ্ঞানী-গুণীদের কর্মময় জীবন ও অবদান জনগণের সামনে তুলে ধরা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

ভাষা শহীদদের স্মরণ করে তিনি বলেন, আল্লাহ তাদের শহীদি মৃত্যু কবুল করুন।