লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ২৪ ঘণ্টায় নিহত ৪১

0
25
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ২৪ ঘণ্টায় নিহত ৪১

দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন স্থানে একাধিক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনাকে দুই সপ্তাহ আগে ঘোষিত ‘যুদ্ধবিরতি’র আরও লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, শনিবারের সর্বশেষ হামলার ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১ জনে। গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের পর থেকে মোট নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ৬৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৮ হাজার ১৮৩ জন।

শনিবার (০২ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, নাবাতিয়েহ জেলার শৌকিন শহরে ইসরায়েলি হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এর আগে, কফর দাজ্জাল গ্রামে একটি গাড়িতে হামলায় দুইজন নিহত হন। লওয়াইজেহ গ্রামে একটি বাড়িতে হামলায় আরও তিনজন নিহত হন। এছাড়া শৌকিন গ্রামে আরেকটি হামলায় দুইজন নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাবাতিয়েহ শহরের আল-কুদস রাউন্ডআবাউটের কাছে ইসরায়েলি বাহিনী বিমান হামলা চালিয়েছে। এছাড়া টাইর জেলার সিদ্দিকিন শহরেও যুদ্ধবিমান থেকে হামলা হয়েছে। ইসরায়েল ১৭ এপ্রিল শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি ক্রমাগত লঙ্ঘন করে চলেছে। এটি পরে মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

ইসরায়েলের দাবি, ইরান-সমর্থিত লেবাননের সংগঠন হিজবুল্লাহকে নিশানা করে হামলা চালানো হয়েছে। তবে নিহতদের মধ্যে অনেকেই বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে লেবাননে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন।

এদিকে প্রাণহানির মধ্যেও হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তারা লেবাননের ভেতরে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়ে যাবে। সংগঠনটি জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় ইসরায়েলি সেনা ও যানবাহনের ওপর তারা একাধিক হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে বিনত জবেইল এলাকার মুসা আব্বাস কমপ্লেক্সের কাছে সেনাদের ওপর আর্টিলারি হামলা এবং হুলা গ্রামে আক্রমণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিয়্যাদা এলাকায় ড্রোন ব্যবহার করে সেনাদের লক্ষ্য করা হয়েছে।

আলজাজিরা জানিয়েছে, সম্প্রতি হিজবুল্লাহ ফাইবার-অপটিক কেবল দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ছোট ড্রোন ব্যবহার করে ইসরায়েলি ট্যাংকে হামলা চালাচ্ছে। এতে তিনজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছে। ড্রোন হামলায় সামরিক সরঞ্জামও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এর মধ্যে তায়েবেহ শহরে একটি হামভি ট্রাক এবং রিশাফ এলাকায় একটি মারকাভা ট্যাংক রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here