খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে অস্ত্র, গুলি ও চাঁদা আদায়ের রশিদসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (১ জুন) তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মহালছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির্জা জহির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন- ক্যয়াংঘাট ইউনিয়নের যাদুনালা গ্রামের মৃত মোম্রাচাই মারমার ছেলে চিংখিউ মারমা (৪০), মাইসছড়ি ইউনিয়নের বাদীগুলো পাড়ার অলঙ চাকমার ছেলে বাবুল চাকমা (২৭) এবং গঙ্গামাছড়া এলাকার মৃত কামিনী মোহন চাকমার ছেলে চুন্দি লাল চাকমা (৪৭)। তারা সবাই মহালছড়ি উপজেলার বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাত পৌনে ৩টার দিকে মহালছড়ি সেনা জোনের আওতাধীন পংঙ্খিমুড়া এলাকার মনো মহাজন পাড়ায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ওই তিনজনকে আটক করা হয়।
অভিযান চলাকালে তাদের কাছ থেকে একটি চাইনিজ পিস্তল, দুই রাউন্ড তাজা গুলি, চাঁদা আদায়ের রশিদ বই, মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র উদ্ধার করা হয়।
মহালছড়ি জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাবির আল আসিফ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ইউপিডিএফের কিছু সন্ত্রাসী মহালছড়ির ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি করে আসছিল। একাধিকবার চেষ্টা করেও তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। অবশেষে বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়েছে।
ওসি মির্জা জহির জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা নিজেদের ইউপিডিএফ (প্রসিত গ্রুপ) এর সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে মহালছড়ি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে।