নোয়াখালী সদর উপজেলায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের খলিফারহাট বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর আগে, মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে একই স্থানে দুই গ্রুপের মধ্যে প্রথম সংঘর্ষ হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, মঙ্গলবার বিকেলে খলিফারহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে কিছু তরুণের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা নুরুল আমিনের অনুসারী সুরুজ ওই তরুণদের মারধর করেন। বিষয়টি কেন্দ্র করে রাতে যুবদল কর্মী সিরাজের সঙ্গে সুরুজের বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে সুরুজ বাজারে ফাঁকা গুলি ছোড়েন, এতে ছররা গুলিতে সবজি বিক্রেতা গাজী আলম আহত হন।
এর পরদিন সকাল ১০টার দিকে সুরুজ ও তার সহযোগীরা ফের বাজারে হামলা চালায়। তখন তারা যুবদল কর্মী সিরাজ ও পথচারী হিমেলকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে। পাল্টা হামলায় প্রতিপক্ষের শাহজাহানও আহত হন। গুরুতর আহত গাজী, সিরাজ ও হিমেলকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিএনপি নেতা নুরুল আমিন ও তার সহযোগী সুরুজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো ও সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ-এর ফোনেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে সুধারাম থানার ওসি মো. কামরুল ইসলাম বলেন, “ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ২–৩ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। ব্যবসায়ী ছররা গুলিতে আহত হওয়ার দাবি করেছেন, তবে তদন্ত ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না।”