জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সাম্প্রতিক তাইওয়ান–সংক্রান্ত মন্তব্যের জেরে টোকিও–বেইজিং সম্পর্ক দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে। একের পর এক কূটনৈতিক পদক্ষেপে দুই দেশের সম্পর্ক বহু বছরের মধ্যে সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থায় পৌঁছেছে।
এ পরিস্থিতিতে জাপান আলোচনার আহ্বান জানালেও চীন সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে টোকিওকে ‘আত্ম-সংযম’ বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় এই সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠেয় জি–২০ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির সম্ভাব্য বৈঠক সম্পর্কে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, এমন কোনও পরিকল্পনা নেই।
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং জাপানের নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না। আমরা জাপানকে যথাযথ আত্ম-সংযম বজায় রাখার অনুরোধ করছি।”
বেইজিং সোমবারই জানায়, দক্ষিণ আফ্রিকায় লি কিয়াং–তাকাইচি বৈঠকের সম্ভাবনা নেই। তবে পরদিন জাপানের প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মিনোরু কিহারা জানান, টোকিও এখনো সংলাপের জন্য উন্মুক্ত।
চীনের এই কঠোর অবস্থান প্রকাশিত হয় এমন এক দিনে, যখন জানা যায়, বেইজিং এই মাসে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সঙ্গে নির্ধারিত মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকও বাতিল করেছে। ১৯৯৮ সালের এশীয় আর্থিক সংকটের পর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করতে গঠিত ত্রি-মুখী কাঠামোর অংশ হিসেবে সংস্কৃতি মন্ত্রীদের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।