ঈশ্বরদীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে গৃহবধূর মৃত্যু, ১৩টি বসতঘর পুড়ে ছাই

বুধবার (৫ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের আসনা গ্রামের আব্দুর রহিম কাজীর বাড়িতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত।

0
90
ছবি: সংগৃহীত

পাবনার ঈশ্বরদীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আদেলা বেগম (৫০) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে আগুনে পুড়ে গেছে ১২টি ছাগল এবং ৬টি পরিবারের ১৩টি বসতঘর।

প্রতিবেশী আসাদুল ইসলাম জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ জিয়ারুল ইসলামের বাড়ি থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তেই এলাকাবাসী আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু করে। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী ও লালপুর ফায়ার সার্ভিসের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। তবে ততক্ষণে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

আতঙ্কের মধ্যে ঘরে আটকা পড়ে মারা যান জিয়ারুল ইসলামের স্ত্রী আদেলা বেগম। এসময় আগুনে ছয়টি পরিবারের ১৩টি বসতঘর এবং ১২টি ছাগলও পুড়ে মারা যায়।

ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিসের ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টর মীর আমিরুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার ১৫ মিনিটের মধ্যেই ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আগুনের ভয়াবহতা এতটাই বেশি ছিল যে, ঈশ্বরদী, লালপুর, পাবনা ও পাকশী ইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট একযোগে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিক নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো হবে।

উপজেলার সাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, আগুনের ঘটনা শুনে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ৬টি পরিবারের ১৩টি ঘর পুড়ে গেছে। এসময় একজন গৃহবধূর মৃত্যু হয়। ১২টি ছাগলও পুড়ে মারা গেছে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুবীর কুমার দাশ ঘটনাস্থলে এসেছিলেন। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রাথমিকভাবে প্রতি পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল ও কম্বল প্রদান করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here