লেবাননের উদীয়মান নারী ফুটবলার সেলিন হায়দার জাতীয় দলে ডাক পেয়ে স্বপ্ন দেখছিলেন ওয়েস্ট এশিয়া চ্যাম্পিয়নশিপে দেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামার। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন থমকে গেছে। দখলদার ইসরাইলের বোমা হামলায় গুরুতর আহত হয়ে কোমায় রয়েছেন ১৮ বছর বয়সী এই প্রতিভাবান ফুটবলার।
বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলীতে নিজ বাসার কাছে ইসরাইলি বোমার আঘাতে আহত হন সেলিন। তার মাথার খুলিতে ফাটল ধরেছে এবং মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। বর্তমানে তিনি বৈরুতের সেন্ট জর্জ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
ইসরাইলি হামলার আশঙ্কায় সেলিনের পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেলেও, অনুশীলনের সুবিধার্থে বৈরুতেই থেকে যান তিনি। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত তার জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনে।
সেলিনের কোচ সামার বারবারি বলেন, ‘সে আমাদের দলের অন্যতম প্রতিভাবান খেলোয়াড়। আমি বিশ্বাস করি, সেলিন এই লড়াইয়ে জয়ী হবে। আমরা সবাই তার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছি।’
ইসরাইলের নির্বিচার হামলায় লেবাননের বেসামরিক মানুষের পাশাপাশি ক্রীড়া অঙ্গনেও ক্ষতির ছাপ পড়ছে। সেলিনের এই পরিস্থিতি ফুটবলপ্রেমীসহ সারা বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গনে শোকের ছায়া ফেলেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেলিনের সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছেন ভক্ত ও ক্রীড়াপ্রেমীরা। তরুণ এই ফুটবলারের দ্রুত সুস্থতার জন্য ক্রীড়া অঙ্গনে এক ধরনের একাত্মতা তৈরি হয়েছে।
ইসরাইলের এই হামলায় সেলিনের মতো সম্ভাবনাময় একজন খেলোয়াড়ের এমন পরিস্থিতি শুধু লেবানন নয়, পুরো বিশ্বের ফুটবল অঙ্গনকেই নাড়া দিয়েছে।


