গণমাধ্যম এখন নজিরবিহীন স্বাধীনতা ভোগ করছে: প্রধান উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যম এখন নজিরবিহীন স্বাধীনতা ভোগ করছে। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে ভুল তথ্যের বিস্তার আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, অর্থনীতি পুনর্গঠন, সম্পদ পাচার, ভুল তথ্য মোকাবিলা এবং অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়নে বাংলাদেশের প্রচেষ্টা নিয়েও আলোচনা হয়েছে ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

0
107

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যম এখন নজিরবিহীন স্বাধীনতা ভোগ করছে। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে ভুল তথ্যের বিস্তার আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, অর্থনীতি পুনর্গঠন, সম্পদ পাচার, ভুল তথ্য মোকাবিলা এবং অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়নে বাংলাদেশের প্রচেষ্টা নিয়েও আলোচনা হয়েছে ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অ্যালেক্স সোরোস এবং সভাপতি বিনাইফার নওরোজির নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারের প্রতি তাদের সমর্থন জানিয়েছে। সাক্ষাৎকালে অ্যালেক্স সোরোস বলেন, ড. ইউনূস দেশের ইতিহাসের এক জটিল সময়ে নেতৃত্ব প্রদান করেছেন। তিনি দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে এবং অর্থনীতি পুনর্গঠনের জন্য যে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন, তা প্রশংসনীয় বলে মন্তব্য করেন।

ড. ইউনূস বলেন, ছাত্রদের নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থান দেশের জন্য একটি নতুন গতিপথ নির্ধারণের ‘বিরাট সুযোগ’ এনে দিয়েছে।

তারা জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান, ভিকটিমদের জন্য অন্তর্বর্তী ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক সংস্কার, গণমাধ্যম, চুরি যাওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধার, নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইন, কীভাবে তাদের উন্নতি করা যায় এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করেন।

অ্যালেক্স সোরোস বলেন, আমরা এসব ক্ষেত্রে আপনার প্রচেষ্টা সমর্থন করার উপায় খুঁজব।

প্রধান উপদেষ্টা ওপেন ফাউন্ডেশনকে সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি নজিরবিহীন ছাত্র-নেতৃত্বাধীন অভ্যুত্থানের খবর ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতি আহ্বান জানান।

ড. ইউনূস বলেন, দাভোস সফরে গিয়ে আমি যা প্রত্যক্ষ করেছি তা হলো, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কে অনেকেই জানে না। অনেক অপপ্রচার হচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টা শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনামলে পাচার হওয়া প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করার জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে একটি ‘বিধ্বস্ত ও যুদ্ধবিধ্বস্ত’ অর্থনীতি পেয়েছে। তিনি পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় ফাউন্ডেশনের সমর্থন কামনা করেন।

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ এলডিসি গ্রাজুয়েশনে সহায়তা করার ইচ্ছা প্রকাশ করে ফাউন্ডেশন। বিষয়টি স্বাগত জানান প্রধান উপদেষ্টা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here