‘আর বায়োপিক করবা’— শুভকে মন্দিরার খোঁচা

ঈদের একদিন আগে অর্থাৎ শুক্রবার (৬ জুন) সকালে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক ব্যতিক্রমী স্যাটায়ার ভিডিও প্রকাশ করেন আরিফিন শুভ।

0
77

আরিফিন শুভকে নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। সিনেমার পারিশ্রমিক হিসেবে এক টাকা নেয়া, রাজউকের ‘প্লট’ পাওয়া ইত্যাদিতে গিয়ে শেষ হয় ঢাকাই সিনেমার দর্শকদের টিপ্পনী। এবার সেসব টিপ্পনী নিয়ে একেবারে ভিন্ন মুডে রসিকতা করেছেন নায়ক নিজেই। নায়িকা মন্দিরা চক্রবর্তীকে সঙ্গে নিয়ে একে-অপরকে চোখ রাঙিয়ে করেছেন ফানি পোস্ট। শুভ যেন মেতেছেন ‘রোস্টিং উইথ লাভ’-এর খেলায়।

ঈদের একদিন আগে অর্থাৎ শুক্রবার (৬ জুন) সকালে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক ব্যতিক্রমী স্যাটায়ার ভিডিও প্রকাশ করেন আরিফিন শুভ।

এটি দেখে দর্শক বুঝতে পারবেন, ‘নীলচক্র’ শুধু একটি সাসপেন্স থ্রিলার না, এর টিম প্রমোশন স্টাইলেও সমান পারদর্শী।

প্রায় তিন মিনিটের ভিডিওতে দেখা যায়, শুভ ও মন্দিরা মুখোমুখি বসে একে-অপরকে নিয়ে ফাজলামি করছেন, যেন পুরোনো দুই বন্ধুর ঠোঁটকাটা আড্ডা।

শুরুতেই মন্দিরা চক্রবর্তী খোঁচা দিয়ে বলেন, ‘শুভ, আর বায়োপিক করবা?’

জবাবে শুভ সকৌতুকে বলেন, ‘এখন ধরো, একটা মানুষের বায়োপিক করব, কী অসুবিধা? আমাকে যদি ডিরেক্টর বলে, তোমার বায়োপিক করতে, করব। তোমার বায়োপিক করলে পারিশ্রমিক কি দিবা? টাকা নাকি প্লট?’

মন্দিরাকেও ছাড়েননি ‘নীলচক্র’ নায়ক, মজার ভঙ্গিতে মন্দিরাকে বলেন– ‘তুমি তো বলো, আমি তোমার ক্রাশ, কিন্তু কখনও আমাকে ‘বেবস’ বলে ডাকো না কেন?’

মন্দিরারও রসিকতা ভরা জবাব– ‘এই যে একটা নায়ক, নাম আরিফিন শুভ। শুটিং সেটে খুব ফ্রেন্ডলি, কিন্তু শুটিং শেষ হলেই উধাও! যে মানুষটাকে লিটারেলি পাওয়া যায় না, তাকে কীভাবে ‘বেবস’ ডাকব?’

ইন্টারনেটে মন্দিরার প্রকাশিত ছবি নিয়েও স্যাটায়ার করতে দেখা গেছে শুভকে। তারা দুজন মুখোমুখি বসে যা বলেছেন, যা করেছেন, তা শুনলে বা দেখলে আপনারও মনে হবে— পুরোনো বন্ধুদের সেই খোঁচাখোঁচিময় দিনগুলোতে আপনিও ফিরে গেছেন!

এবারের ঈদে মুক্তি পাচ্ছে মিঠু খানের পরিচালনায় ‘নীলচক্র’ সিনেমা। ছবিটি নিয়ে দুবছর পর দেশের সিনেমায় কামব্যাক করছেন আরিফিন শুভ। সাথে আছেন মন্দিরা চক্রবর্তী। অভিনয়ে আরও আছেন ফজলুর রহমান বাবু, শাহেদ আলী, প্রিয়ন্তী ঊর্বী প্রমুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here