কংগ্রেসকে পরজীবী বলে তীব্র কটাক্ষ মোদির

0
18
কংগ্রেসকে পরজীবী বলে তীব্র কটাক্ষ মোদির

তামিলনাড়ুতে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বন্ধু ডিএমকে-কে ছেড়ে রাজ্য সরকার গঠনে জি জোসেফ বিজয়কে সমর্থন দেওয়ায় কংগ্রেসকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ ও ‘পরজীবী’ বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

মোদি বলেছেন, তামিলনাড়ুর বর্তমান পরিস্থিতির দিকেই তাকান। ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে কংগ্রেসের সাথে ডিএমকে-র ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। বারবার দলটির সাথে জোটই কংগ্রেসকে সংকট থেকে উদ্ধার করেছে।

তার দাবি, প্রকৃতপক্ষে, ২০১৪ সালের আগে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ১০ বছরের সরকারটি মূলত ডিএমকে-র কারণেই টিকে ছিল। অথচ, রাজনৈতিক হাওয়া বদলানোর মুহূর্তেই সেই ডিএমকে-র সাথেই বিশ্বাসঘাতকতা করা হলো, যারা ধারাবাহিকভাবে কংগ্রেসের ভালোর জন্য কাজ করে গিয়েছিল।

তার অভিযোগ, ক্ষমতার লালসায় চালিত হয়ে ক্ষমতালোভী কংগ্রেস প্রথম সুযোগেই ডিএমকে-র পিঠে ছুরি মেরেছে। রাজনৈতিকভাবে প্রাসঙ্গিক থাকতে এখন কংগ্রেসের আরও একটি দল প্রয়োজন, যার কাঁধে ভর করে তারা চলতে পারবে।

তবে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়কে শপথ গ্রহণ উপলক্ষে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং আশ্বাস দিয়েছেন যে জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কেন্দ্র রাজ্যটির সাথে কাজ করে যাবে।

বিধানসভার ফলাফলে বিজয়ের দল ১০৮ আসনে বিজয়ী হলেও সরকার গঠনের জন্য পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। পরে, কংগ্রেসসহ আরও কিছু ছোট দলের সমর্থনে আজ শপথ নিয়েছেন তামিলগা ভেট্রি কাজাগাম বা টিভিকের সদস্যরা।

বিজয়ের নয়জন মন্ত্রীর নতুন মন্ত্রিসভায় তরুণ ও অভিজ্ঞ নেতাদের মিশ্রণ রয়েছে এবং টিভিকে প্রধানের মূল দলও এতে স্থান পেয়েছে। কিন্তু রাহুল গান্ধীর কংগ্রেসের কোনো নেতা নতুন তামিলনাড়ু মন্ত্রিসভায় প্রবেশ করেননি—অথচ কংগ্রেসই ছিল প্রথম দল যারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যার প্রয়োজনে টিভিকে-কে সমর্থন করতে রাজি হয়েছিল।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের প্রচার পর্বের সময় থেকেই স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল যে কংগ্রেস বিজয়ের ওপর কড়া নজর রাখছিল। বলা হয়, কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বিজয়ের বড় সাফল্য পাওয়ার ব্যাপারে এতটাই আস্থা রেখেছিলেন যে, নির্বাচনের আগে ডিএমকে-র ডাকা বেশ কয়েকটি সভায় কংগ্রেস যোগ দেয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here