আইনজীবীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৮০ হাজার আইনজীবীকে পর্যায়ক্রমে উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এজন্য একটি দেশের সঙ্গে আলোচনাও চলছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
রোববার (১০ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের ইয়াং ব্যারিস্টারদের আয়োজনে ‘ট্রান্সফরমেশন অব লিগ্যাল প্র্যাকটিস থ্রু ইমার্জিং টেকনোলজিস অ্যান্ড এআই’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, যারা বিদেশ থেকে ইংরেজি মাধ্যমে আইন শাস্ত্রে ডিগ্রি নিয়ে দেশে ফিরছেন, তাদের জন্য বার কাউন্সিলের বিদ্যমান এনরোলমেন্ট পরীক্ষা পদ্ধতি বেশ জটিল। কারণ এই পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হয় বাংলায়, যা তাদের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই এই পদ্ধতি সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। নতুন ব্যারিস্টাররা অনেক মেধাবী, কিন্তু বিদ্যমান পরীক্ষার জটিলতার কারণে তারা সুপ্রিম কোর্টে পেশাগত সুযোগ না পেয়ে বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরি নিয়ে চলে যাচ্ছেন। তরুণ মেধাবীদের সুপ্রিম কোর্টে নিজেদের দক্ষতা প্রয়োগ করার সুযোগ সৃষ্টি করার তাগিদ দেন তিনি।
বিচার বিভাগের বাজেট বরাদ্দের বৈষম্যের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, আদালতগুলোতে বিভিন্ন কোর্ট ফি ও স্ট্যাম্প বিক্রি করে বছরে ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি আয় হয়। অথচ সেখানে গোটা বিচার বিভাগে জাতীয় বাজেট বরাদ্দ মাত্র ২২শ কোটি টাকা। বিচার বিভাগের এই বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন।