দেশের ছয়টি অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। অঞ্চলগুলো হলো- টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুমিল্লা ও নোয়াখালী।
এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ২ (দুই) নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এছাড়া দেশের অন্যান্য অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ (এক) নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কয়েক দিন ধরেই বজ্রপাতসহ ঝড়বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে এ পরিস্থিতি আরও কিছু দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে মুঠোফোনে জানান, আগামী শুক্রবার (২৯ মে) পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের এ প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। এরপর দেশের উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টিপাত কিছুটা কমতে পারে, তবে চট্টগ্রাম অঞ্চলে বাড়তে পারে।
তিনি আরও জানান, জুন মাসের ১ থেকে ২ তারিখে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবেও দেশে বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে। তবে বিষয়টি নির্ভর করছে লঘুচাপটির গতিপথের দিকে।
‘যদি লঘুচাপটি মিয়ানমারের দিকে যায়, তাহলে শুধু চট্টগ্রাম অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। আর যদি বাংলাদেশের দিকে আসে, তাহলে সারা দেশেই বৃষ্টি হতে পারে’, যোগ করেন এ আবহাওয়াবিদ।
এদিকে আবহাওয়া অফিসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কয়েক দিন দেশের সব বিভাগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।