বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোর ৬টা ২২ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তাদের স্বেচ্ছায় দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়।
জানা গেছে, দেশে ফেরা অধিকাংশ বাংলাদেশি সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্রলোভন ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকে সেখানে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা তাদের স্বাগত জানান।
আইওএমের পক্ষ থেকে দেশে ফেরা প্রত্যেক বাংলাদেশিকে যাতায়াত খরচ, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা সহায়তা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়।
এদিকে অবৈধ পথে বিদেশ গমনের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশে ফেরা ব্যক্তিদের নিজেদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করার অনুরোধ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা অন্য বাংলাদেশি নাগরিকদেরও নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা যৌথভাবে কাজ করছে।