মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন ডিজেল এলো চট্টগ্রামে

0
29
মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন ডিজেল এলো চট্টগ্রামে
একদিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ৫ যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের

মালয়েশিয়া থেকে আরও ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে ‘শান গ্যাং ফা জিয়ান’ নামের একটি জাহাজ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দিবাগত রাতে চীনের পতাকাবাহী জাহাজটি বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া চ্যানেলে প্রবেশ করে।

জাহাজে ৩৪ হাজার টনের কিছু বেশি ডিজেল রয়েছে। প্রাইড শিপিং লাইনসের ম্যানেজিং পার্টনার নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, শনিবার জাহাজটি বন্দরে বার্থিং করার জন্য প্রস্তুত থাকবে। এর মাধ্যমে দেশের ডিজেল সংরক্ষণ আরও শক্তিশালী হবে এবং বাজারে জ্বালানি সরবরাহ সুনিশ্চিত হবে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় সিঙ্গাপুর থেকে আসা ‘ইয়ান জিং হে’ নামের আরেকটি জাহাজ পদ্মা অয়েলের ডলফিন জেটি-৬-এ বার্থিং করেছে। ওই জাহাজে ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেল ছিল। ‘ইয়ান জিং হে’-এর স্থানীয় এজেন্টও প্রাইড শিপিং।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বিদেশ থেকে নিয়মিত ডিজেল আমদানি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। শীতকাল ও গরমের মৌসুমে, শিল্প ও যানবাহনের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এই আমদানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দেশের জ্বালানি খাত বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে এই আমদানি নিরবচ্ছিন্ন রাখার ফলে দেশের ডিজেল ঘাটতি রোধ করা সম্ভব। এছাড়া, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে দ্রুত দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি সরবরাহ করা যাবে।

প্রাইড শিপিং লাইনসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাহাজে লোড করা ডিজেল আন্তর্জাতিক মানের এবং সরাসরি দেশের প্রধান জ্বালানি সাপ্লায়ারদের কাছে বিতরণ করা হবে। বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহে এই ধরনের সরাসরি আমদানি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও দৃঢ় করবে।

চট্টগ্রাম বন্দরে এ ধরনের আমদানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের ব্যবস্থা দেশের শিল্প ও পরিবহন খাতের জন্য অত্যন্ত সহায়ক। ডিজেল সরবরাহে ব্যাঘাত হলে সরাসরি শিল্প উৎপাদন ও যানবাহনের চলাচলে প্রভাব পড়তে পারে।

মালয়েশিয়া থেকে ডিজেল আমদানি দেশের জ্বালানি খাতে স্থিতিশীলতা আনতে সাহায্য করবে। এছাড়া, বিদেশি জাহাজের মাধ্যমে সরাসরি ডিজেল আনার ফলে স্থানীয় বাজারে দামও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

জ্বালানি খাতের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই আমদানি দেশের শিল্প ও কৃষি খাতের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যানবাহন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ডিজেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ অপরিহার্য।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ‘শান গ্যাং ফা জিয়ান’ ও ‘ইয়ান জিং হে’ জাহাজ দুটির মাধ্যমে দেশের ডিজেল স্টক বাড়বে। এতে আগামী কয়েক সপ্তাহ জ্বালানি ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here