সিরিজ জয়ের লড়াইয়ে নিজেদের কাজটা করে রেখেছেন বাংলাদেশের বোলাররা। সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে জিম্বাবুয়েকে বড় সংগ্রহ গড়তে দেয়নি তাওহিদ হৃদয়ের দল। বুলাওয়েতে আগে ব্যাট করা স্বাগতিকরা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৩ রান তুলেছে। ফলে সিরিজ জিততে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ১৪৪ রান।
আজ টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নেমেই দারুণ সূচনা এনে দেন শেখ মেহেদী হাসান। নিজের প্রথম ওভারেই ওপেনার তাদিওয়ানাশে মারুমানিকে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়েকে চাপে ফেলেন এই অফস্পিনার। দলীয় ৬ রানের মধ্যেই প্রথম উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
এরপর ব্রায়ান বেনেট ও ডিয়ন মেয়ার্স দ্বিতীয় উইকেটে ৭১ রানের জুটি গড়ে জিম্বাবুয়েকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। তবে সেট জুটি ভাঙেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ৩৮ বলে ৪৭ রান করা বেনেটকে ফিরিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু এনে দেন এই পেসার।
এক প্রান্তে মেয়ার্স অবশ্য ইনিংস ধরে রাখেন। ফিফটি পূর্ণ করার পর শেষ পর্যন্ত ৫৩ বলে ৭৩ রান করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল সাতটি চার ও দুটি ছক্কা। তবে অন্য প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে জিম্বাবুয়েকে চাপে রাখে বাংলাদেশের বোলাররা।
অধিনায়ক সিকান্দার রাজাকে ফিরিয়ে দেন রিশাদ হোসেন। এরপর আবদুল গাফফার সাকলাইন ফেরান রায়ান বার্লকে। ব্র্যাড ইভান্স রানআউট হন রিশাদের দুর্দান্ত থ্রোতে। ইনিংসের শেষ দিকে ক্লাইভ মাদান্দেকেও ফেরান সাইফউদ্দিন। ফলে মেয়ার্সের লড়াই সত্ত্বেও বড় সংগ্রহ গড়া সম্ভব হয়নি স্বাগতিকদের।
শেষ ওভারে তাসকিন আহমেদও দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। মাত্র ৬ রান দিয়ে জিম্বাবুয়ের ইনিংস ১৪৩ রানেই আটকে রাখেন তিনি।
বাংলাদেশের হয়ে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন দুটি উইকেট শিকার করেন। শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন ও আবদুল গাফফার সাকলাইন নেন একটি করে উইকেট। বোলারদের সম্মিলিত পারফরম্যান্সে স্বস্তিদায়ক লক্ষ্য পেয়েছে বাংলাদেশ। এখন ১৪৪ রান করলেই জয়ের পাশাপাশি সিরিজও নিজেদের করে নেবে টাইগাররা।