শরীয়তপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও সাবেক প্যানেল মেয়র বাচ্চু ব্যাপারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে ডামুড্যা থানার একটি বিস্ফোরক আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বাচ্চু ব্যাপারী শরীয়তপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুর সহযোগী ছিলেন। এছাড়া জেলা আন্তঃবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তিনি।
ডামুড্যা থানা সূত্র জানায়, শরীয়তপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র ছিলেন বাচ্চু ব্যাপারী। তিনি শরীয়তপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর সংসদ সদস্যর সঙ্গে বাচ্চু ব্যাপারীও পলাতক ছিলেন।
রোববার শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানা ও ডামুড্যা থানা পুলিশ বাচ্চু ব্যাপারীর পৌরসভার চরপালং এলাকার বাড়িতে অভিযান চালায়। দুপুর ১টার দিকে বাড়ির একটি ঘর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ডামুড্যা থানায় দায়ের করা একটি বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
গত ১১ নভেম্বর ডামুড্যার আকালবরিশ এলাকায় সড়কের পাশে ব্যাগে থাকা অবস্থায় ১২৩টি ককটেল বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় ১২ নভেম্বর ডামুড্যা থানা পুলিশ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় বাচ্চু ব্যাপারীকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ডামুড্যা থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, বিস্ফোরক আইনে করা মামলাটিতে তাৎক্ষণিক কোনো আসামির নাম উল্লেখ করা যায়নি। বিভিন্নভাবে তদন্ত করে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ও সন্দেহভাজন হিসেবে বাচ্চু ব্যাপারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

